× home হোম archive আগের ওয়েব সংখ্যা panorama ডুয়ার্স সম্পর্কে play_circle_filled ভিডিও file_download মুদ্রিত সংখ্যার পিডিএফ library_books আমাদের বইপত্র
people এখন ডুয়ার্স সম্পর্কে article শর্তাবলী security গোপনীয়তা নীতি local_shipping কুরিয়ার পদ্ধতি keyboard_return বাতিল/ফেরত পদ্ধতি dialpad যোগাযোগ
login লগইন
menu
ad01112021081913.jpg
জলপাইগুড়ির বর্ষামঙ্গল-২

করলার সেতুবন্ধনে উৎসাহ নেই কেন আর? সার্কিট বেঞ্চ শহরের এসব অসমাপ্ত কাহিনি মুখ্যমন্ত্রী জানেন?

সব্যসাচী দত্ত
Bridges on the River Karala

বর্ষা এলে করলা নদী ফুলেফেঁঁপে ওঠে, জল শহরের একুল ওকুল ভাসায়। তেমনই এসময়ই করলার ওপরে সেতুগুলির গুরুত্ব বেড়ে ওঠে, কারণ মূল শহরটিকে বাকি দুনিয়ার সঙ্গে যুক্ত রাখে সেই সেতুগুলিই। দোলনা ব্রীজ নামে খ্যাত জলপাইগুড়ির ‘টেমস’ করলা নদীর ওপরে পুরনো সেতুটির আয়ু শেষ হয়েছে বলে ভেঙে দেওয়া হল তাও প্রায় বছর তিনেক, যদিও সেতু কিন্তু সেই অবস্থাতেই রয়ে গেছে। কিছুটা কাজ অবশ্যই হয়েছে, না মানলে মিথ্যাচার হবে। কিন্তু তারপর থেকে সে কাজ থমকে আছে। নগরবাসীর কারুর পক্ষে জানা সম্ভব নয় আড়ালে তার কে হাসে। খোদ হাইকোর্ট সার্কিট বেঞ্চের শহরে এই সব অসম্পূর্ণ কাজে 'পয়সা নেই' অজুহাতে পার পেয়ে যাবেন কর্তৃপক্ষ? মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকে জবাবদিহি করতে হবে না? নাকি কোনও মতান্তর হয়েছে ঠিকাদারের সঙ্গে? নাকি কোনোদিন বলাই হবে না আসল কাহিনি কী? বলাই হবে না সেতুর বদলে দেখা যায় তার কঙ্কাল! লোহা বেরিয়ে আছে। এদিক ওদিক ঢাউস আকারের বিভিন্ন নির্মান সামগ্রী। সেখান থেকে উড়ছে ধুলোবালি।

সেতুর লাগোয়া দেড়শ বছরের পুরনো বালিকা বিদ্যালয়। ওপারে ঐতিহ্যবাহী জলপাইগুড়ি জিলা স্কুল। সেতুটির একপাশে মূল শহর অন্যপাশে কয়েক হাজার মানুষের বাস। তাঁদের অসুবিধের কথা কি মনে হয় পুরসভার কখনও? মূল শহরে আসতে হলে তাঁদের নিতে হয় দীর্ঘ ঘুরপথ। কয়েকশো ছাত্র-ছাত্রীর অসুবিধে। বর্ষাকালে এপার থেকে ওপারে ঘুরে যেতে হলে কতটা পথ জল ভেঙ্গে যেতে হয় কারও পক্ষে অনুমান করা কি সম্ভব? পুরসভা ছাড়াও শিলিগুড়ি-জলপাইগুড়ি ডেভলপমেন্ট অথরিটি, ইরিগেশন, পিডব্লুডি ইত্যাদি এতগুলো দপ্তর আছে। তাঁদের কারুর কি মনে হয় না ব্রীজটা দ্রুত করা উচিৎ। না কি পুরসভা করতে দেয় না কাউকেই? সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, এতগুলো রাজনৈতিক দল ভোটের সময় জোড়হাত করে হাসিমুখে ভোট ভিক্ষায় আসে নাগরিকের কাছে, তাদেরও লজ্জা-কৃতজ্ঞতা-দায়িত্ববোধ নামক কোনও বস্তুই কি নেই!

দোলনা ব্রীজের পাশে রবীন্দ্র ভবনের সামনে আরও একটি ব্রীজ তৈরি হয়ে পড়ে রয়েছে এবং তার কোনও অ্যাপ্রোচ রোড তৈরি হব হব করেও আজ পর্যন্ত হল না। না এপাশে না ওপাশে। বিরাট অঙ্কের টাকার বিনিময়ে নির্মিত এই সেতু অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। আশপাশের বসতি থেকে জামাকাপড় শুকোতে দেওয়ার কাজ ছাড়া রীতিমত একটি মৃত দৈত্যের মত পড়ে থাকে এই সেতু। কেন অপরিকল্পিত এই আয়োজন? কাদের জন্য? কত টাকা ভেসে গেল? কারা লাভবান হলেন? প্রশ্ন উঠবে না কোনোদিন যে এ কি জনগণের রক্ত-ঘামের টাকা নয়?  ভোটগ্রহণ আজ হোক কাল হবেই। যারা হঠাৎ করে শহরের প্রতি মায়া বা ভালোবাসা বা দায়িত্ব হারিয়ে ফেললেন তাঁরা সকলেই ভাবুন, জলপাইগুড়ি শহরকে তছনছ করে দেওয়ার উত্তর চাইবে কিন্তু ভবিষ্যৎ, কাউকে ছেড়ে কথা কইবে বলে মনে হয় না।

করোনা কালের প্রতিবেদন ফ্রি রিডিং

Disclaimer: Few pictures in this web magazine may be used from internet. We convey our sincere gratitude towards them. Information and comments in this magazine are provided by the writer/s, the Publisher/Editor assumes no responsibility or liability for comments, remarks, errors or omissions in the content.
Copyright © 2026. All rights reserved by www.EkhonDooars.com

Design & Developed by: WikiIND

Maintained by: Ekhon Dooars Team